« যেসব রোগের সার্জারি করেন »
পেট ও পেটের অঙ্গের সার্জারিঃ
- অ্যাপেন্ডিসাইটিস ও অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন
- গলব্লাডারে পাথর (Gallstone) – Cholecystectomy
- হার্নিয়া (Inguinal, Umbilical, Incisional)
- পাইলস, ফিশার, ফিস্টুলা
- পেটের ভেতরের টিউমার / সিস্ট
- ছোট-বড় অন্ত্রের সমস্যা। ইত্যাদি
থাইরয়েড ও গ্ল্যান্ড সার্জারিঃ
- থাইরয়েড নডিউল
- থাইরয়েড টিউমার
- প্যারাথাইরয়েড গ্ল্যান্ডের সমস্যা
- কাটা-ছেঁড়া
- গভীর ক্ষত
- দুর্ঘটনাজনিত ইনজুরি
- Soft tissue injury
- বুকে/পেটে ইনজুরি
ছোট সার্জারিঃ
- লিপোমা (চর্বির গুটলি) রিমুভ
- স্কিন সিস্ট
- ওয়ার্ট/লাম্প রিমুভাল
- অ্যাবসেস কাটাছেড়া ও ড্রেনেজ
ব্রেস্ট সার্জারিঃ
- ব্রেস্ট লাম্প
- ব্রেস্ট অ্যাবসেস
- ব্রেস্ট ক্যান্সারের অপারেশন
হাড়ের কিছু সার্জিকাল কেয়ারঃ
- ফ্র্যাকচার সেট করা
- জয়েন্ট ডিসলোকেশন ঠিক করা
« ডক্টর সম্পর্কে »
ডাঃ নাসির উদ্দিন মাহমুদ কুমিল্লা অঞ্চলের অন্যতম অভিজ্ঞ ও স্বনামধন্য সার্জারি বিশেষজ্ঞ, যিনি জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি এবং এন্ডোস্কপিক সার্জারির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। তিনি ঢাকা থেকে এম.বি.বি.এস ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর এফ.সি.পি.এ ডিগ্রির মাধ্যমে উন্নততর সার্জিক্যাল শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং নিজের পেশাগত জীবনে ধারাবাহিকভাবে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে নিজেকে আপডেট রেখেছেন।
বহু বছর ধরে তিনি বিভিন্ন জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ সার্জারি সফলভাবে পরিচালনা করছেন। মিনিমালি ইনভেসিভ পদ্ধতিতে (যেমন ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি) রোগীর কম ব্যথা, দ্রুত সুস্থতা এবং স্বল্প সময়ের হাসপাতালে থাকার সুবিধা নিশ্চিত করায় তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। রোগীর প্রয়োজন, বয়স, অবস্থা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করা এবং রোগী ও স্বজনদের পরিষ্কারভাবে সব ব্যাখ্যা করে চিকিৎসা প্রদান করাই তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যেখানে তিনি চিকিৎসা ছাড়াও নবীন চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ, ক্লিনিক্যাল দক্ষতা উন্নয়ন এবং সার্জিক্যাল মান উন্নয়ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তার তত্ত্বাবধানে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন বড় ও জটিল সার্জারি সম্পন্ন হচ্ছে, যা তাকে সহকর্মী ও রোগীদের কাছে আরও বেশি সম্মানিত করে তুলেছে।
ডাঃ নাসির উদ্দিন মাহমুদের চিকিৎসা দর্শন খুবই স্পষ্ট- রোগীকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা দেওয়া এবং রোগীকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা। দক্ষতা, সততা, মানবিক ব্যবহার এবং দায়িত্ববোধের সমন্বয়ে তিনি কুমিল্লা অঞ্চলের একজন বিশ্বস্ত সার্জন হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত।
« সার্জারী ডক্টর ও চেম্বার »
